শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ক্যাটাগরি ‘এ’ থেকে ‘বি’তে অবনমন হয়েছে। গত ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করায় ক্যাটাগরিটির অবনমন হয়। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ২৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৬৪ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৩৯ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ১৬ পয়সায়।
কোম্পানিটির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল বি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-থ্রি’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও সর্বশেষ ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড।
২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ২৫ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৪ টাকা ৬৭ পয়সা।









