চলতি বছর নিউজিল্যান্ডের মূল্যস্ফীতির হার গত তিন দশকের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। এ হার পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। ভোক্তা পণ্যের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ফলে জনদুর্ভোগ ও অসন্তোষ দানা বেঁধেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী মাসে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সভায় সুদের হার ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানোর কথা রয়েছে।
নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) নিউজিল্যান্ডের ভোক্তা পণ্য সূচক ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। অথচ বছরের প্রথম তিন মাসে ভোক্তা পণ্য সূচক ছিল ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এর আগে ১৯৯০ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের পর দেশটিতে ভোক্তা পণ্য সূচক এত বেশি ছিল। ওই সময় এ হার ছিল ৭ দশমিক ৬ শতাংশ। সম্প্রতি স্ট্যাটিসটিকস নিউজিল্যান্ডের এক বিবৃতিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ভোক্তা মূল্য সূচক প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের শেষ তিন মাসের তুলনায় এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে ভোক্তা মূল্য সূচক বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৮ শতাংশ। এ নিয়ে দেশটিতে মূল্যস্ফীতির হার অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।
এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড নিউজিল্যান্ড ব্যাংকিং গ্রুপ লিমিটেড জানায়, আগস্ট মাসে সুদের হার ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ড সুদের হার ২ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়িয়েছিল। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুদের হার ৪ শতাংশ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে ওয়েস্টপ্যাক ব্যাংক এক বিবৃতিতে জানায়, খাদ্য, পেট্রল ও বাড়ি নির্মাণের মূল্য ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভোক্তা পণ্য সূচক বেড়েছে দেশটির। অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রেই দাম বৃদ্ধির চাপ আসছে।
এ বিষয়ে কিউয়ি ব্যাংক এক বিবৃতিতে জানায়, জনসাধারণের ওপর অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির হারের প্রভাব আশঙ্কাজনক। তবে ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমবে।









