নারীর
ক্ষমতায়নে মাইক্রোক্রেডিট খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দেশের অন্যান্য আর্থিক খাতের চেয়েও মাইক্রোক্রেডিটে ঋণ ফেরত নেয়ার
হারও বেশি। মাইক্রো ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশনের মাধ্যমে ঋণ-সঞ্চয় কার্যক্রম
দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখছে।
চট্টগ্রামে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) উদ্যোগে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অংশীজনদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা এসব বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফসিউল্লাহ্। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মমতার নিজস্ব অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন মমতার প্রধান নির্বাহী রফিক আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর এনজিও ও ক্ষুদ্র ঋণকে আরো বেশি শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি শক্তিশালী আইনও প্রণয়ন করেন। এখন এমআরএ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মাইক্রোক্রেডিট কার্যক্রমকে আরো বেশি স্বচ্ছতা ও শক্তিশালী অবস্থায় নিয়ে যেতে কাজ করছে সরকার। আমাদের দেশে যারা ঋণ দেন, তাদের কোনো না কোনোভাবে বিতর্কিত হতে দেখা যায়। এজন্য ক্ষুদ্র হলেও এ ধরনের আর্থিক খাতের জন্য রেগুলেটর প্রয়োজন। এ খাতে যারা ভালো করছেন, তারাই এমআরএ চেয়েছিল। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের শুরুতে ৩৫-৪০ শতাংশ পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ ছিল। পরবর্তী সময়ে সেটি ২৬ শতাংশে নামানো হয়। আমরা এখন সার্ভিস চার্জ আরো কমানো যায় কিনা, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি।’
অনুষ্ঠানে এমআরএ কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশে বর্তমানে ৭৫০-এর মতো এমএফআই প্রতিষ্ঠানের ৭০-৮০ হাজার কোটি টাকা সঞ্চয় রয়েছে। গ্রাহকের ৯১ শতাংশই নারী। ৯৯ শতাংশ ঋণই আদায় হয়।









