পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার পঞ্চম সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টিয়ার-টু মূলধন বাড়ানোর জন্য এটি ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয় ব্যাংকটির পর্ষদ। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, বন্ডটির ইস্যুয়ার ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি। বন্ডটি পুরোপুরি অবসায়নযোগ্য, আনসিকিউরড, অরূপান্তরযোগ্য। এটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। বন্ডটির মেয়াদ সাত বছর। ব্যাংকটির পর্ষদ প্রয়োজনসাপেক্ষে বন্ডের যেকোনো বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করতে পারবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সম্মতিসাপেক্ষে বন্ডটি ইস্যু করা হবে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৩৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৯ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ৫৩ টাকা ২৭ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। এছাড়া চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫৬৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৫৬ কোটি ১১ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ১৪ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৯৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৯ টাকা ৮৫ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৫৩ টাকা ১৩ পয়সায়।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও বাকি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত ব্যাংকটির অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।









