নভেল করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমার আশঙ্কা থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দরপতন দেখা দিয়েছে।
বাজার ভারসাম্য ফেরাতে জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন নতুন করে কমিয়ে আনার কথা ভাবছে ওপেক-নন ওপেক দেশগুলো।
তবে এ পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ড্যান বুয়েত্তে।
খবর রয়টার্স ও ব্লুমবার্গ।
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ওপেকভুক্ত দেশগুলো হয়তো নতুন করে জ্বালানি তেল উত্তোলন কমিয়ে আনতে যাচ্ছে।
তারা নিজেদের জন্য যেটা ভালো মনে করবে, সেটাই করতে পারে।
এ
পরিকল্পনার বিষয়ে আমাদের (মার্কিন প্রশাসন) কোনো উদ্বেগ নেই।
২০১৪-১৫ সালের দিকে বাড়তি সরবরাহের জের ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের রেকর্ড দরপতন দেখা দিয়েছিল।
দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপর থেকে কমে ৩০ ডলারের নিচে নেমে এসেছিল।
বাজার ভারসাম্য ফেরাতে জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক উত্তোলন হ্রাসসংক্রান্ত চুক্তি করে ওপেক।
এখনো চুক্তিটি বলবৎ রয়েছে।
ওই
সময় থেকে রাশিয়াসহ নন-ওপেক কয়েকটি দেশ চুক্তির শর্ত মেনে চলছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র কখনই এ চুক্তির শর্ত মানেনি।
বরং অন্য দেশগুলো যখন বাড়তি উত্তোলন কমিয়ে বাজার ভারসাম্য ফেরানোর চেষ্টা করেছে, তখন যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি তেলের উত্তোলন ও রফতানি বাড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে নতুন করে জ্বালানি তেল উত্তোলন কমিয়ে আনতে ওপেক-নন ওপেক দেশগুলোকে প্রস্তাব দিয়েছে সৌদি আরব।
আগামী মার্চে এ-সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তবে এরই মধ্যে রাশিয়া নতুন এ পরিকল্পনায় অসম্মতি জানিয়েছে।









