বৈশ্বিক
ইস্পাত উৎপাদন খাতে
চীনের একক আধিপত্য
বজায় রয়েছে।
বিশ্বজুড়ে উৎপাদিত ইস্পাতের
অর্ধেকের বেশি উৎপাদন
করে দেশটি।
গত বছর
এ হিস্যা
আরো বেড়েছে।
একই সঙ্গে ভারত,
যুক্তরাষ্ট্র
ও ইরান
শিল্প ধাতুটির উৎপাদন
বাড়িয়েছে।
ওয়ার্ল্ড
স্টিল অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউএসএ)
বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা
হয়েছে, ২০১৯ সালে
বিশ্বজুড়ে ১৮৬ কোটি
৯৯ লাখ
টন অপরিশোধিত
ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে,
যা আগের
বছরের তুলনায় ৩
দশমিক ৪ শতাংশ
বেশি। ২০১৮
সালে বিশ্বজুড়ে ১৮০
কোটি ৮৪ লাখ
টন ইস্পাত
উৎপাদন হয়েছিল।
সেই হিসাবে এক
বছরের ব্যবধানে শিল্প
ধাতুটির বৈশ্বিক উৎপাদন
বেড়েছে ৬ কোটি
১৫ লাখ
টন।
গত
বছর বিশ্বের শীর্ষ
ইস্পাত উৎপাদনকারী দেশ
চীনে পণ্যটির উৎপাদন
দাঁড়িয়েছে ৯৯ কোটি
৬৩ লাখ
টনে। এক
বছরের ব্যবধানে দেশটিতে
শিল্প ধাতুটির উৎপাদন
বেড়েছে ৮ দশমিক
৩ শতাংশ। ২০১৮
সালে দেশটি ৯২
কোটি টন ইস্পাত
উৎপাদন করেছিল।
বৈশ্বিক ইস্পাত উৎপাদনে
গত বছর
চীনের হিস্যা বেড়ে
দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক
৩ শতাংশে। এর
আগের বছর তা
ছিল ৫০ দশমিক
৯ শতাংশ।
বিদায়ী বছরে ভারতে ১১ কোটি ১২ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। একই সময় জাপানে শিল্প ধাতুটির উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৯ কোটি ৯৩ লাখ টনে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর শিল্প ধাতুটির উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৮ কোটি ৭৯ লাখ টন, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে ইরানে গত বছর ৩ কোটি ১৯ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি। এর বাইরে শীর্ষ উৎপাদনকারীদের মধ্যে রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, তুরস্ক ও ব্রাজিলে ইস্পাত উৎপাদন কমে এসেছে।









