পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কাগজ ও মুদ্রণ খাতের কোম্পানি বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-টু’। গত ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যাংক দায় ও রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত কোম্পানিটির অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৮ টাকা ৪৮ পয়সায়। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বসুন্ধরা পেপার মিলস পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯২ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৭৭ টাকা ৫৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৭৪ টাকা ৩১ পয়সা। 

২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল বসুন্ধরা পেপার মিলসের পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৭ পয়সা। ওই বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস  দাঁড়ায় ৭৪ টাকা ৩১ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৫ টাকা ৮১ পয়সা। 

২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বসুন্ধরা পেপার মিলসের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৭৩ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ১৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৪১। এর মধ্যে ৭০ দশমিক ৮৬ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ২১ দশমিক ৮৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।