ক্রমবর্ধমান রয়েছে পণ্য ও সেবার দাম। প্রকট হচ্ছে জ্বালানি সংকট। এ অবস্থায় আগামী বছরের শুরুতে যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি ১৮ শতাংশে উন্নীত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সিটিগ্রুপ। মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংকটি জনিয়েছে, ২০২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ভোক্তা মূল্যসূচক ১৮ শতাংশে পৌঁছবে। পাশাপাশি এ সময়ে খুচরা মূল্যসূচক ২১ শতাংশে উন্নীত হবে।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী পূর্বাভাসের তুলনায় সিটির আশঙ্কা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। চলতি মাসের শুরুতে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড জানিয়েছিল, বছরের শেষ নাগাদ মূল্যস্ফীতি ১৩ শতাংশে পৌঁছবে বলে মনে করা হচ্ছে। যখন থিংকট্যাংক রেজল্যুশন ফাউন্ডেশন পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৩ সালের প্রথম দিকে মূল্যস্ফীতি ১৫ শতাংশে পৌঁছতে পারে।
সর্বশেষ যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি ১৮ শতাংশে পৌঁছেছিল ১৯৭৬ সালে। সে সময় জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে সংকট বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থবিরতা সৃষ্টি করেছিল।
সিটির প্রধান ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ বেঞ্জামিন নাবারো বলেন, যুক্তরাজ্যে গত সপ্তাহে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম যথাক্রমে ২৫ শতাংশ ও ৭ শতাংশ বেড়েছে। এর পরই আমরা পূর্বাভাস হালনাগাদ করেছি।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গ্যাজপ্রম ইউরোপে নর্ড স্ট্রিম ১ গ্যাস পাইপলাইনে অনির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণের ঘোষণায় সোমবার যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দামে পুনরায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরের দিন সরবরাহের জন্য গ্যাসের দাম এক পর্যায়ে ৩৭ শতাংশ বেড়ে থার্মপ্রতি (১০০ ঘনফুট) ৪৯৫ পেনিতে পৌঁছেছে। এটি গত মার্চের পর সর্বোচ্চ।
সিটি পূর্বাভাস দিয়েছে, দ্বৈত-শুল্কের কারণে অক্টোবরে জ্বালানি বিল ৩ হাজার ৭১৭ পাউন্ডে উন্নীত হবে। এটি বেশির ভাগ পূর্বাভাস ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৭০০ পাউন্ডের চেয়ে বেশি। যুক্তরাজ্যের জ্বালানি নিয়ন্ত্রক অফগেম আজ শুক্রবার পরবর্তী বিলের সীমা ঘোষণা করবে। মার্কিন ব্যাংকটির ঘোষণা অনুসারে, আগামী জানুয়ারিতে জ্বালানি বিলের সীমা বেড়ে ৪ হাজার ৫৬৭ পাউন্ডে উন্নীত হবে। এপ্রিলে যা ৫ হাজার ৮১৬ পাউন্ডে পৌঁছবে।









