বিশেষ করে কারো যদি মনে হয় টেনিস এলবো হয়েছে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব একজন অর্থোপেডিক, ফিজিক্যাল মেডিসিন বা ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া জরুরি। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করা গেলে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব এবং দীর্ঘমেয়াদি জটিলতার ঝুঁকিও কমে। তবে কনুইয়ের ব্যথা যদি ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকে, বিশ্রাম বা সাধারণ চিকিৎসাতেও কমে না, কিংবা দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটায়, তাহলে তা অবহেলা করা ঠিক নয়। আক্রান্ত স্থানে অস্বাভাবিক ফোলা ও লালচে ভাব বা স্পর্শ করলে অতিরিক্ত গরম অনুভূত হওয়াও সতর্কতার লক্ষণ। এসব উপসর্গ সংক্রমণ বা অন্য কোনো জটিল সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। একই সঙ্গে যদি জ্বর, শরীর কাঁপা, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা ফ্লুর মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। কারণ টেনিস এলবো সাধারণত জ্বর সৃষ্টি করে না। তাই এমন লক্ষণ দেখা দিলে এর পেছনে অন্য কোনো রোগ বা সংক্রমণ আছে কিনা—তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন চিকিৎসা গ্রহণ করলে অধিকাংশ রোগী সফলভাবে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরে যেতে পারেন।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?
কনুইয়ের বাইরের অংশে ব্যথা, জিনিসপত্র ধরতে বা তুলতে অসুবিধা, কিংবা হাতের শক্তি কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।
কনুইয়ের বাইরের অংশে ব্যথা, জিনিসপত্র ধরতে বা তুলতে অসুবিধা, কিংবা হাতের শক্তি কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।










