যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় তৈরি শান্তি প্রস্তাবে ইউক্রেন এখন কঠিন অবস্থার মুখোমুখি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলছেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বজায় রাখার মধ্যে ইউক্রেনকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। খবর এপি।
এ শান্তি প্রস্তাবে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের দাবি অন্তর্ভুক্ত আছে। তবে ইউক্রেনকে সীমিত নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে। এতে দেশটির কিছু অংশ রাশিয়াকে দিতে হতে পারে, সেনা সংখ্যা কমাতে হবে এবং ন্যাটোতে যোগদানের সুযোগ বন্ধ হতে পারে।
যদিও এখন পর্যন্ত জেলেনস্কি এ প্রস্তাবগুলো পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেননি। তবে ন্যায্য শর্ত নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য অংশীদারদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করার কথা বলেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে উত্তর না দিলে ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা প্রস্তাব মূল্যায়ন করছেন এবং শিগগিরই তারা আলোচনায় বসার আশা করছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবগুলো তাদের সার্বভৌমত্ব, জনগণের নিরাপত্তা ও ন্যায়সংগত শান্তির নীতির সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইউক্রেন এতে রাজি নয় এবং তারা অবাস্তব প্রত্যাশা করছে।
এরই মধ্যে জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছে ইউক্রেন। এসব দেশ তাদের সমর্থন নিশ্চিত করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। তারা বলেছেন, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী স্বাধীনভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম হতে হবে।










