কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের কয়েক হাজার গোপনীয় নথি নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ (ডিওজে)। শুক্রবার প্রকাশিত এসব নথিতে যথাযথ গোপনীয়তা রক্ষা না করায় প্রায় ১০০ জন ভুক্তভোগীর পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠার পর এই পদক্ষেপ নেয়া হলো। খবর বিবিসি।
মার্কিন কংগ্রেসের নির্দেশে গত শুক্রবার এপস্টেইন মামলার প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠা, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীদের আইনজীবীদের দাবি, নথিপত্রগুলো সঠিকভাবে 'রিডাকশন' বা তথ্য গোপন না করেই আপলোড করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে নাম কাটার দাগ থাকলেও তা স্পষ্ট পড়া যাচ্ছিল। এমনকি অনেক ভুক্তভোগীর নগ্ন ছবি এবং ইমেইল ঠিকানাও সেখানে দৃশ্যমান ছিল।
ভুক্তভোগীদের আইনজীবীরা একে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ভুক্তভোগীদের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের সবচেয়ে বড় ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অনেক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, পরিচয় প্রকাশ হওয়ার পর তারা প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন এবং চরম মানসিক ট্রমার শিকার হয়েছেন।
মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ‘প্রযুক্তিগত বা মানবিক ভুলের’ কারণে এমনটি ঘটেছে। চিহ্নিত সব বিতর্কিত ফাইল সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে বিভাগটি দাবি করেছে, প্রকাশিত কোটি কোটি পৃষ্ঠার মধ্যে মাত্র দশমিক ১ শতাংশ ফাইলে এই ভুল ধরা পড়েছে। বর্তমানে তারা আরো নিবিড়ভাবে যাচাই করে নতুন করে নথি প্রকাশের কাজ করছে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যৌন পাচারের অভিযোগে বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় নিউ ইয়র্কের এক কারাগারে জেফরি এপস্টেইনের মৃত্যু হয়।










