চিলিতে দাবানলে ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, আগুনের শিখা শহুরে অঞ্চলকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। দাবানল ঠেকাতে জরুরি সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলো হিমশিম খাচ্ছে।
সেন্ট্রাল
চিলিতে প্রায় দশ লাখ মানুষের বসবাস। কালো ধোঁয়া ভালপারাইসো অঞ্চলের অনেকখানি জুড়ে
ছড়িয়ে পড়েছে। অগ্নিনির্বাপনকারীরা হেলিকপ্টার ও ট্রাক দিয়ে আগুন নেভাতে কঠোর
পরিশ্রম করছেন।
চিলি
কর্তৃপক্ষ বলেছে, উপকূলবর্তী পর্যটন শহর ভিনা দেল মার-এ আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ
করেছে। উদ্ধারকারী দলগুলোর আক্রান্ত অঞ্চলগুলোয় যেতে অনেক বেগ পোহাতে হয়েছে।
নিহতের
সংখ্যা বাড়তেেএম আশঙ্কা ব্যক্ত করে চিলির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিনা তোহা বলেন,
‘এ সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে। ভ্যালপারাইসোর পরিস্থিতি খু্বই নাজুক অবস্থায়
রয়েছে।’
২০১০
সালে ভূমিকম্পে ৫০০ জন মারা যাওয়ার পর দেশটি সবচেয়ে কঠিন অবস্থার মুখোমুখি হয়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বরিক এক টেলিভিশন বার্তায় জাতির উদ্দেশে বলেন,
পরিস্থিতি প্রকৃত অর্থেই খুবই কঠিন।
গ্রীষ্মের
সময়ে দাবানল চিলিতে নতুন কিছু নয়, গত বছর রেকর্ড মাত্রার হিট ওয়েভে ২৭ জন মারা যান
এবং ৪ লাখ হেক্টরের (৯ লাখ ৯০ হাজার একর) বেশি এলাকা আক্রান্ত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তোহা আরো বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এ বছর আক্রান্ত এলাকার সংখ্যা কম। কিন্তু এ বছর
আক্রান্ত এলাকার সংখ্যা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।’










