ভোটের দুদিন পরই ১২ মামলা থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাওয়ালপিন্ডির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) ৯ মে দাঙ্গার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মামলার জামিন মঞ্জুর করেছেন। এছাড়াও ১৩টি মামলা থেকে জামিন পেয়েছেন পিটিআইয়ের নেতা ও পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি।  খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইমরান ও মাহমুদ কুরেশির জামিন আবেদনের শুনানি করেন এটিসির বিচারক মালিক এজাজ আসিফ। আদালত বলেছেন, ইমরানকে গ্রেফতার করে রাখার কোনো এখতিয়ার নেই। ৯ মে দাঙ্গা সংশ্লিষ্ট মামলায় সব আসামি জামিনে রয়েছেন।

এর আগে,গত ৯ মে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে হাজিরা দিতে গেলে ইমারান খানকে গ্রেফতার করা হয়। তার গ্রেফতারের প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ করে ইমরান সমর্থকরা। এ সময় বিক্ষোভকারীরা রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর এবং লাহোরে জিন্নাহ হাউস নামে পরিচিত একজন সেনা কমান্ডারের বাসভবনে হামলা করে। যার কারণে ইমরানের বিরুদ্ধে আরো বেশ কয়েকটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে সেনা সদর দপ্তরের ফটকে হামলা, স্পর্শকাতর একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মামলা।

২০২২ সালে সংসদে অনাস্থা ভোটে হেরে সরকার থেকে বিদায় নেয়ার পর থেকেই একের পর আইনি জটিলয়তায় পড়ছেন ইমরান খান। তার নামে প্রায় ২০০ মামলা দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি চার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ইমরানকে ৩৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়াও ১০ বছরের জন্য তাকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে পিটিআই ও ইমরান-সমর্থকদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে এসব সাজা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে কারাগারে বন্দি তিনি।