মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিমান হামলায়
কমপক্ষে ৫৩ জন নিহত হয়েছে। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের বরাতে এই খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, নিহতদের মধ্যে
অন্তত ১৫ জন নারী ও বেশ কিছু শিশু রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) উত্তর-পশ্চিম
সাগাইং অঞ্চলের সেনা সরকার বিরোধী একটি গ্রামকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা দখল করার
পর থেকে বিরোধীদের প্রতিরোধে দেশটিতে বিমান হামলা বেড়েই চলছে।
সাগাইংয়ের বিভিন্ন গোষ্ঠী সামরিক শাসনের
বিরোধিতা করে সশস্ত্র বাহিনী গঠন করেছে। তাদের নিজস্ব স্কুল ও ক্লিনিক রয়েছে।
গ্রামের একজন বাসিন্দা জানান, আজ সকাল
৭টার দিকে সামরিক উড়োজাহাজ গ্রামের ওপর একটি বোমা ফেলে। এরপর একটি হেলিকপ্টার গানশিপ
প্রায় বিশ মিনিট হামলা আক্রমণ অব্যাহত রাখে।
বাসিন্দাদের ধারণ করা ভিডিওতে মাটিতে পড়ে
থাকা মৃতদেহ দেখা যায়। বেশ কয়েকটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডও দেখা যায়।
মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধে কয়েক হাজার
মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছে ১৪ লাখ নাগরিক। জাতিসংঘের মতে, দেশটির জনসংখ্যার
প্রায় এক-তৃতীয়াংশেরও মানবিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।
সংঘাত-পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট
লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা প্রজেক্ট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি
থেকে গত জানুয়ারির মধ্যে কমপক্ষে ৬০০টি আকাশ হামলা পরিচালিত হয়েছে।
গত মাসে সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল
মিন অং হ্লাইং জানান, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সন্ত্রাস করছে। তাদের মোকাবেলা করা হবে।











