নিরাপদ পানির সরবরাহ না থাকায় বিভিন্ন
পানিবাহী রোগে মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে গাজাবাসী। গতকাল রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) এক সতর্ক
বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে ফিলিস্তিনে জাতিসংঘের ত্রাণ ও শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)।
খবর আনাদোলু এজেন্সি।
সংস্থাটি মাইক্রো ব্লগিং প্লাটফর্ম
এক্সের এক বার্তায় জানিয়েছে, গাজায় চলমান নিরাপদ পানির সংকট মোকাবিলায় ইতোমধ্যেই প্রায়
২ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে ইউএনআরডব্লিউএ টিম। তবে এই পরিমাণ পানি গাজায় চলমান
সংকট মোকাবিলায় যেথেষ্ট নয় বলে মনে করে তারা। সংস্থাটি বলছে, ইসরায়েলি অবরোধের ফলে
নিরাপদ পানির অভাবে ভুগছে গাজার সাধারণ লোকজন। পানিবাহী রোগে আক্রান্ত হয়ে এ অঞ্চলের
৮৫ শতাংশ মানুষ মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে। তেল আবিবের প্রতিশোধমূলক হামলায় প্রতি নিয়ত
বেঁচে থাকার মৌলিক এ খাদ্যের অভাবে সংগ্রাম করছেন গাজাবাসী। এক্ষেত্রে এ সংকট মোকাবিলায়
যথাসাধ্য চেষ্টা অব্যাহত রাখার আশা ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘের এই ত্রাণ ও শরাণার্থী বিষয়ক
সংস্থা।
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের
তথ্যমতে, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি আকাশ ও স্থল হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন
২৭ হাজার ৩৬৫ ফিলিস্তিনি। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো ৬৬ হাজার ৬৩০ জন। অন্যদিকে ইসরায়েলের
দাবি হামাসের হামলায় প্রাণ গেছে প্রায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলির।
জাতিসংঘের তথ্য বলছে, তেল আবিবের এসব
বর্বর হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে গাজার প্রায় ১৭ লাখ মানুষ। এছাড়া অঞ্চলটিতে সৃষ্টি
হয়েছে খাদ্য, জ্বালানি ও নিরাপদ পানির তীব্র সংকট।










