আন্তর্জাতিক আইনের নীতিগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। জার্মানির অর্থমন্ত্রী ও ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিঙবেল গতকাল এ কথা বলেছেন। গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। ওয়াশিংটনে জি৭ভুক্ত উন্নত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার আগে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। খবর রয়টার্স।
লার্স ক্লিঙবেল বলেন, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নির্ধারণ করার পূর্ণ অধিকার কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের রয়েছে। যেকোনো দেশের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতাকে অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে। দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে খনিজ সমৃদ্ধ দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে দখলের চেষ্টা করলে তা ন্যাটোর ভেতর বড় ধরনের ফাটল তৈরি করবে। এটি ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্ব আরো বাড়িয়ে দেবে। ন্যাটো মিত্র হিসেবে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আজ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জি৭ বৈঠকে খনিজ সম্পদের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। বর্তমানে বিরল খনিজ সম্পদের ওপর চীন কঠোর রফতানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এ পরিস্থিতিতে পশ্চিমা দেশগুলো চীনের ওপর তাদের নির্ভরতা কমিয়ে আনতে চায়। জার্মানি এ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তামা, লিথিয়াম, কোবাল্ট ও গ্রাফাইটের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ শোধনের ৪৭ থেকে ৮৭ শতাংশই চীনের দখলে রয়েছে।
জার্মান অর্থমন্ত্রী জানান, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ও নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে মিলে কাজ করা জরুরি।










