রাত পোহালেই পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন। রাজনৈতিক অস্থিরতার ডামাডোলে এবারের নির্বাচন নিয়েও বেশ সংশয় দেখা দিয়েছে। এরকম অনিশ্চয়তায় নির্বাচনের আগের দিন বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলুচিস্তানে বিস্ফোরণে ২৮ জন নিহতের ঘটনায় নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়। যদিও দেশটির তত্ত্বাবধায়ক সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। খবর ডন।

পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) জানিয়েছে, অবাধ নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

রাজনৈতিক দল তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের পূর্বে ধারণকৃত একটি ভিডিও বার্তা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছে। ভিডিও বার্তায় ইমরান খান দেশবাসীকে ঘর থেকে বের হয়ে সাংবিধানিক অধিকার ভোট প্রদানের আহবান জানান। এদিকে বেলুচিস্তানের ঘটনায় পিটিআই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক অফিসও বিস্ফোরণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

পাকিস্তান মুসলিম লীগ-এন সভাপতি শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, কাপুরুষোচিত হামলা আমাদের শক্তিকে দুর্বল করতে পারবে না।  

পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি দলটির এক্স অ্যাকাউন্টে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন।

এদিকে নির্বাচন নিয়ে দেশটির সর্বমহলে বেশ আগ্রহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। অভিনেত্রী মাউরিয়া হুসাইন তার অনুসারীদের এক্স বার্তায় ভোট প্রদানের আহবান জানিয়েছেন।

দেশটির জাতীয় দলের ক্রিকেটার শাহেনশাহ আফ্রিদি এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, ভোট শুধুমাত্র আমাদের অধিকার না, এটি আমাদের শক্তি।  

পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বিসমাহ মারুফও সবাইকে ভোট দিতে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি ভোটকে উজ্জ্বল ভবিষ্যত নির্মাণের সুযোগ বলে অভিহিত করেছেন।

ভোটের দিন পাকিস্তানে ইন্টারনেট সেবা নিরবচ্ছিন্ন থাকবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ)।

দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, আফগানিস্তান ও ইরান সীমান্তে নির্বাচনের দিন পণ্য পরিবহন ও যাতায়াত বন্ধ থাকবে। ৯ ফেব্রুয়ারি আবারো সীমান্ত এলাকার কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।