পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আমির হোসেন মৃধা নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত আমির হোসেন নৌকা নৌকা প্রতীকের সমর্থক বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ইব্রাহিম ফারুক। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (চশমা) ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি এস.এম মহিসনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদেরকে পুলিশ নাজিরপুরের তাঁতেরকাঠি থেকে গ্রেফতার করে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত অপর দুজন হলেন মো. ফারুক (৪০) ও মো. জহির (৩০)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৮ জুলাই নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা একটি মোটরসাইকেল বহর বের করে। বহরটি ইউনিয়নের তাঁতেরকাঠি এলাকায় গেলে সেখানে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এস.এম মহসিনসহ তার সমর্থকদের সঙ্গে নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে নৌকার প্রতীকের সমর্থক আমির হোসেন মৃধা ও তার ছেলে মো. সোহেলসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত আমির মৃধাকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সন্ধ্যায় সে মারা যায়। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনগণ বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে।
এবিষয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম ফারুক বলেন,‘আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও নাজিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি এস.এম মহসিন ও তার ভাই আহসান হাবিব মিন্টুর নেতৃত্বে নৌকার কর্মীদের উপর হামলা করা হয়। কুপিয়ে ও পিটিয়ে নৌকার সমর্থক আমির মৃধাকে হত্যা করা হয়। আহত করা হয় আমির মৃধার ছেলে মো. সোহেল মৃধাসহ নৌকার ১০জন কর্মীকে ।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আল-মামুন বলেন, আমির হোসেন মৃধার মৃত্যুর ঘটনায় এস.এম মহসিনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।










