জাপানের আইচি প্রিফেকচারের টয়োয়াকে শহর বাসিন্দাদের দিনে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা স্মার্টফোন ব্যবহারের আহ্বান জানাতে যাচ্ছে। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সবাইকে লক্ষ্য করেই নেয়া হয়েছে এই উদ্যোগ, যাতে অনলাইন আসক্তি ও ঘুমের সমস্যার মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো যায়। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

শহরের মেয়র মাসাফুমি কোকি জানিয়েছেন, এই প্রস্তাব মূলত সচেতনতার জন্য, বাধ্যতামূলক নয়। শিশুদের রাত ৯টার পর এবং কিশোর–কিশোরী ও প্রাপ্তবয়স্কদের রাত ১০টার পর স্মার্টফোন ব্যবহার না করতে বলা হয়েছে।

তবে প্রস্তাবটি নিয়ে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকে এটিকে ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ মনে করছেন, দিনে মাত্র দুই ঘণ্টার সীমা বাস্তবসম্মত নয়। ঘোষণার পর চার দিনের মধ্যে প্রায় ৮০% প্রতিক্রিয়াই ছিল সমালোচনামূলক।

কর্তৃপক্ষের দাবি, অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে শিশুদের পড়াশোনায় অনীহা, স্কুল ফাঁকি দেয়া, এমনকি প্রাপ্তবয়স্কদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার মতো সমস্যাও বাড়ছে। মেয়রের আশা, এই প্রস্তাব পরিবারগুলোকে স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় নিয়ে ভেবে দেখতে উৎসাহিত করবে।

২০২০ সালে জাপানের আরেকটি অঞ্চলে শিশুদের জন্য গেম খেলার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল—সপ্তাহে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা এবং ছুটির দিনে ৯০ মিনিট। তবু সাম্প্রতিক এক জরিপ বলছে, জাপানি কিশোরেরা দিনে গড়ে ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় কাটায় অনলাইনে।