ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সৃষ্ট ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসে উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্যে অন্তত ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কেবল মিজোরামেই মৃত্য হয়েছে ২৭ জনের।  যার মধ্যে রাজ্যটির আইজল জেলায় একটি খনি ধসে ২১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া নাগাল্যান্ডে চারজন, আসামে তিনজন এবং মেঘালয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টি, দমকা বাতাসের সঙ্গে ভূমিধস, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। খবর এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মিজোরামের আইজল জেলায় একাধিক ভূমিধসের পর একটি পাথর খনিতে ধস নামে এবং এতে ২১ জনসহ অন্তত ২৭ জন নিহত হন। এছাড়া আরো ১০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আইজলের মেলথুম এবং হ্লিমেনের মধ্যবর্তী ওই খনি থেকে এখনও পর্যন্ত ২১টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সকালে ধসের পরে আরো কয়েকজন এখনো ধ্বংসাবশেষের নিচে আটকা পড়ে আছেন।

জেলার সালেম, আইবাক, লুংসেই, কেলসিহ এবং ফলকাউনে ভূমিধসের ঘটনায় ছয়জন মারা গেছেন এবং আরো অনেকে নিখোঁজ হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। 

আসামের কামরূপ, কামরূপ (মেট্রো) এবং মরিগাঁও জেলায় তিনজন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএসডিএমএ) অনুসারে, রাজ্যের সোনিতপুর জেলার ঢেকিয়াজুলিতে একটি স্কুল বাসের ওপর গাছের ডাল ভেঙে পড়লে ১২ জন ছাত্র আহত হয়। মরিগাঁওয়ে বিভিন্ন ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন।

এছাড়া, অরুণাচল প্রদেশে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।