চলতি বছর ৪র্থবারের মত ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির কবলে পড়েছে আইসল্যান্ড। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শুরু হওয়া এ অগ্ন্যুৎপাতের কারণে শহরটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। খবর বিবিসি।
গণমাধ্যমটি বলছে, এ অগ্ন্যুৎপাতকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে অগ্নুৎপাত গ্রিন্ডাভিক শহরের পূর্ব সীমান্ত ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা পরিষেবা জানায়, গ্রিন্ডাভিকের উত্তরে-হাগাফেল এবং স্টোরা-স্কোগফেলের মধ্যে শনিবার স্থানীয় সময় ৮টার পরে বিস্ফোরণ শুরু হয়।
আইসল্যান্ডের আবহাওয়া অফিস জানায়, এ লাভার বিস্তৃতি ফেব্রুয়ারির তুলনায় বেশি ছিল। রেইকজাভিক-ভিত্তিক নর্ডিক আগ্নেয়গিরি কেন্দ্রের প্রধান রিকে পেডারসেন রয়টার্সকে বলেছেন, অগ্ন্যুৎপাতের কারণে নিঃসৃত লাভা থেকে বাঁচতে দেশটির চারপাশে অনেক প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। রাস্তায় ফাইবার অপটিক কেবলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শহরটিতে ফোন এবং ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে।
ভূ-পদার্থবিদ ম্যাগনাস তুমি গুডমুন্ডসন স্থানীয় মিডিয়াকে বলেন, শনিবারের (১৬ মার্চ) অগ্ন্যুৎপাতটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল। এর ফলে নিঃসৃত লাভার ধারার একটি দেশটির পশ্চিম আর অন্যটি দক্ষিণের দিকে প্রবাহিত হয়েছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শেষের লাভাটি গ্রিন্ডাভিকের পূর্ব প্রতিরক্ষা দেয়ালে পৌঁছেছে। অগ্ন্যুৎপাত কমে না আসলে এ লাভার ধারা সমুদ্রে প্রবাহিত হতে পারে বলেও জানান তিনি।
নরওয়ের আবহাওয়া সংস্থার প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ এনার বেসি গেস্টসন বলেন, লাভা সমুদ্র পর্যন্ত পৌঁছালে বিপদজ্জনক গ্যাস এবং আরো কয়েকটি ছোটখাটো বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া অগ্ন্যুৎপাতের কারণে আগ্নেয়গিরিটি থেকে প্রতিনিয়ত ধোঁয়া এবং ম্যাগমা নির্গত হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত অক্ষত আছে কেফ্লাভিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং অন্যান্য আঞ্চলিক বিমানবন্দরগুলি।










