ইসরায়েলের সরাসরি হামলায় গাজায় গত চার মাসে ১৬২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য প্রকাশ
করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। খবর আনাদোলু
এজেন্সি।
গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, শিক্ষা নিয়ে কাজ
করা কয়েকটি সংস্থা গাজায় বিদ্যালয়গুলোর ক্ষতির মূল্যায়ন করতে স্যাটেলাইটের চিত্র বিশ্লেষণ
করেছে। তাদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইসরায়েলের সরাসরি গোলার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
গাজার ১৬২টি বিদ্যালয় ভবন। যা গাজার মোট বিদ্যালয়ের ৩০ শতাংশ। ওই অঞ্চলে মোট বিদ্যালয়ের
সংখ্যা ৫৬৩ টি যার ২৬ টি তেল আবিবের বোমার আঘাতে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
স্টিফেন ডুজারিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন,
ইসরায়েলের এসব হামলায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে গাজার এক লাখ ৭৫ হাজার ছাত্র এবং ৬৫
হাজার শিক্ষক। এছাড়া ওই অঞ্চলের প্রায় ৫৫ শতাংশ বিদ্যালয় নতুন করে পুনর্গঠনের প্রয়োজন
বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গাজায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের
চার মাস শেষ হয়েছে। তেল আবিবের হামলায় গত বছরের ৭ অক্টোবরের পর থেকে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২৮ হাজারের বেশি বেসামরিক বাসিন্দা।
অন্যদিকে আহতের সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার।
জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের
কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি
এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।
এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। হাজার
হাজার মানুষ কোনো ধরনের আশ্রয় ছাড়াই বসবাস করছে এবং প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ত্রাণবাহী
ট্রাক এ অঞ্চলে প্রবেশ করেছে।










