যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রেখেছে। গতকাল ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুনর্বহালের পর প্রথম দিনেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। শিপিং-সংক্রান্ত তথ্য থেকে এ চিত্র উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স।
জাহাজ চলাচলের ডাটা সরবরাহকারী সংস্থা কেপলারের তথ্যানুযায়ী, গতকাল হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে মাত্র সাতটি জাহাজ, যার বেশির ভাগই ইরানের রুট ব্যবহার করেছে। আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার এ সংখ্যা ছিল ১৩টি।
গত শনিবার রাতে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরো তীব্র হয়েছে। চলমান সামরিক অভিযান গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ প্রণালি দিয়ে হতো।
কেপলারের তথ্যানুযায়ী, গতকাল চারটি খালি জাহাজ উপসাগরে প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে ছিল তিনটি ছোট জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার এবং শস্য পরিবহনের একটি ড্রাই বাল্ক ক্যারিয়ার। অন্যদিকে, বুধবার প্রণালি অতিক্রম করে বেরিয়ে যাওয়া তিনটি জাহাজে ছিল এলপিজি, কয়লা এবং ফুয়েল অয়েল।
এর আগের দিন সুয়েজম্যাক্স শ্রেণির একটি জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার, যাতে সৌদি আরবের ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ছিল, সেটি ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বলে কেপলারের তথ্যে দেখা গেছে।
গতকাল হরমুজ প্রণালি দিয়ে ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) বা এলএনজি বহনকারী কোনো ট্যাংকার চলাচল করেনি বলেও তথ্য জানিয়েছে কেপলার।










