ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গেল ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২১৫ ফিলিস্তিনি। এছাড়া মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন আরো ৩০০ জন। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) এ খবর প্রকাশ করেছে তুর্কি গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।
গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর অবরোধে উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ফলে এখনও অনেক আহত ব্যক্তি ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে।
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক কোর্ট অব জাস্টিজের (আইসিজে) রায় ঘোষণার পরেও গাজায় ধ্বংসজজ্ঞ অব্যাহত রেখেছে তেল আবিব। এর আগে জাতিসংঘের ওই আদালতে গাজায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যার’ অভিযোগে মামলা দায়ের করে দক্ষিণ আফ্রিকা। গত ২৬ জানুয়ারি এ মামলার রায় দেয় আইসিজে। তবে এই রায়ে গাজায় স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ফিলিস্তিনিরা।
প্রায় চার মাস ধরে চলা বোমা বর্ষণ ও স্থল অভিযান বন্ধের নির্দেশ না আসায় ফিলিস্তিনিরা জানিয়েছেন, এ রায়ে তারা বিধ্বস্ত। তবে তারা বিস্মিত নন। কারণ এ বিশ্ব ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত গাজায় রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের আকাশ ও স্থল হামলায় এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ হাজার ৬৩৭ ফিলিস্তিনি। যাদের বেশির ভাগই নারী এবং শিশু। এছাড়া তাদের হামলায় আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৫ হাজার ৩৮৭ জনে। জাতিসংঘ বলছে, গাজায় ইসরায়েলি অবরোধের ফলে খাদ্য, ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে রয়েছেন অন্তত ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা।
অন্যদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, হামাসের
হামলায় এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সেনাসদস্য
রয়েছে বলেও জানা গেছে।










