ইরানের উপকূলীয় রাডার স্টেশনগুলোয় হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালি অভিমুখে ছোড়া ড্রোন প্রতিহত করে এ পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে এ হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা উত্তেজনা আরো বাড়িয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের ধারণা, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থানরত মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নৌ-যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে চারটি ড্রোন ছুঁড়েছিল ইরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে সেন্টকম জানিয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত গোরুক ও কেশম দ্বীপের ইরানি নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে।
এদিকে মার্কিন হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে এ অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তেহরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করায় চারটি বাণিজ্যিক তেলের ট্যাঙ্কারের ওপর গুলি চালানো হয়েছে।
আঞ্চলিক এই সংঘাতের আঁচ লেগেছে প্রতিবেশী দেশগুলোয়। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমায় ঢুকে পড়া বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কে ছুঁড়েছে সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। বাহরাইনেও সাইরেন বাজিয়ে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে দুই দেশেই অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করা হলেও, মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ছোঁড়া ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশে ধ্বংস করা হয়েছে এবং সপ্তমটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে।














