বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষায় স্বতন্ত্র কেয়ার হোমগুলোতে কভিড-১৯-এ মৃত্যুর তথ্য গোপন রেখেছেন নিয়ন্ত্রকরা। ইংল্যান্ডের কেয়ার কোয়ালিটি কমিশন (সিকিউসি) এবং স্কটল্যান্ডের কেয়ার ইন্সপেক্টর বেসরকারি এ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাটি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, এ আশঙ্কায় প্রাণহানির তথ্যগুলো জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছে।

সিকিউসি ও কেয়ার ইন্সপেক্টর তাদের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তথ্যগুলো শেয়ার করলেও উভয়ই এটাকে জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছিলেন। অন্যদিকে কেয়ার হোমে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা এ নীতির সমালোচনা এবং এটাকে হাস্যকর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

কেয়ার হোমে বাবাকে হারানো শিরিন কুহিয়ার বলেন, মানুষের জীবন যেখানে ঝুঁকির মধ্যে থাকে, সেখানে বাণিজ্যিক বিষয়টিতে আগ্রহী হওয়া উচিত নয়। এখানে রোগী গুরুত্বপূর্ণ, করপোরেশন নয়।

এমনই আরেকজন জুন ফাউন্ডলেটার বলেন, তথ্যগুলো ছাড়া যেকোনো আত্মীয়কে কেয়ার হোমে পাঠাতে আমি ভয় পাই, কারণ তারা সংখ্যার কথা বলছে না। সেখানে কেউ মারা যায়নি, এটা কাকতালীয় ঘটনা নয়। নিয়ন্ত্রকদের অবশ্যই এক তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম হওয়া উচিত।

বাড়তি সংক্রমণ হারের সঙ্গে কেয়ার হোমের জড়িত থাকার বিষয়টির প্রমাণ রয়েছে। গত মাসের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বড় কেয়ার হোমগুলোতে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব ২০ গুণ বেশি ছিল।

স্বতন্ত্র হাসপাতালের ট্রাস্টগুলোতে কভিডের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশিত হলেও স্বতন্ত্র কেয়ার হোমগুলোতে প্রাণহানির তথ্য এখন পর্যন্ত কেবল বিক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

সিকিউসি জানিয়েছে, কেয়ার হোমের আকার ও ধারণক্ষমতা, স্থানীয় বাসিন্দাদের অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং স্থানীয় প্রাদুর্ভাবের মতো পরিস্থিতি না বুঝে কেবল প্রাণহানির তথ্য মহামারী সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করবে না।

গার্ডিয়ান