প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আইসোলেশন থেকে বেরিয়ে পড়েছেন। তার ডাক্তার বলেছেন, আইসোলেশন ছাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) যেসব শর্ত বেঁধে দিয়েছে সেগুলো ট্রাম্প পূরণ করেছেন।
হোয়াইট হাউজ এটা নিশ্চিত করেনি যে ট্রাম্প পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ হয়েছেন। অবশ্য সিডিসির গাইডলাইন অনুসারে আইসোলেশন ছেড়ে আবার মানুষের সঙ্গে মিশতে কোনো নেগেটিভ টেস্ট প্রয়োজন হয় না। সিডিসির এ নির্দেশনার পেছনে কিছু কারণও আছে।
করোনা আক্রান্ত রোগী নিজে আর সংক্রামক না থাকলেও তার টেস্ট পজিটিভ আসতে পারে। মহামারীর শুরুর দিকে বলা হয়েছিল, সংক্রমিত ব্যক্তির সাধারণ জীবনে ফিরতে অন্তত দুটো নেগেটিভ টেস্ট প্রয়োজন। এর ফলে সে সময় আক্রান্তদের কয়েক সপ্তাহের আইসোলেশনে থাকতে হয়েছে।
তবে করোনাভাইরাস টেস্ট এটা কখনো নিশ্চিত করতে পারে না যে সংক্রমিত ব্যক্তি তখনো সংক্রামক কিনা। পিসিআর টেস্ট সন্ধান করে কিছু নির্দিষ্ট আরএনএর, যা মানুষ সুস্থ হয়ে ওঠার পরও তার শরীরে থেকে যেতে পারে।
সিডিসির মতে, কভিড-১৯-এর লক্ষণ দেখা দেয়ার ১০ থেকে ২০ দিন পর কোনো ব্যক্তি আর সংক্রামক থাকে না, তা সে তার টেস্ট পজিটিভ এলেও না।
কিন্তু ট্রাম্পের কেন ২০ দিনের আইসোলেশন দরকার হলো না? এক্ষেত্রে বলা হচ্ছে হালকা লক্ষণ থাকা ব্যক্তিরা ১০ দিনের বেশি সংক্রামক থাকে না। ট্রাম্পের চিকিৎসক ডা. সিন কোনলে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের অ্যাডভান্সড ডায়াগনস্টিক টেস্ট করানো হয়েছে এবং তার শরীরে ভাইরাস আর সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে না। তবে ট্রাম্পের কোন অ্যাডভান্সড ডায়াগনস্টিক টেস্ট করানো হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি ডা. কোনলে। এছাড়া ট্রাম্পের অক্সিজেন লেভেলের মতো আরো কিছু সাধারণ বিষয়েও কোনো তথ্য দেয়া হয়নি।
সিএনএন





