লাতিন আমেরিকার জন্য আরো একটি খারাপ সপ্তাহ শেষ হলো। এ অঞ্চলজুড়ে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা বিশ্বের যেকোনো জায়গার চেয়ে দ্রুত হারে বাড়ছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতেও এখন পর্যন্ত সংক্রমণ কমে যাওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা দেয়নি। অঞ্চলটিতে ১২ লাখ আক্রান্ত শনাক্ত এবং ৬০ হাজারের বেশি মৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড হয়েছে। এছাড়া খুব কম পরীক্ষা করার কারণে অনেকেই শনাক্তের বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস অ্যাডহ্যানম গেব্রেইসাস গত বুধবার বলেছিলেন, আমরা বিশেষত মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা নিয়ে উদ্বিগ্ন, যেখানে অনেক দেশে মহামারী তীব্র আকারে দেখা দিচ্ছে।
তবে সংস্থাটি বিশ্বাস করে না যে মধ্য বা দক্ষিণ আমেরিকা উভয়ই চূড়ান্ত সংক্রমণে পৌঁছেছে, যার অর্থ অসুস্থ ও মারা যাওয়ার সংখ্যা এখনো বাড়তেই থাকবে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা দেশগুলোকে শিগগিরই তাদের অর্থনীতি পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তবুও দেশগুলো অর্থনীতি পুনরায় খুলে দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বা অনেক দেশ তা করে ফেলেছে। লাতিন আমেরিকার তিনটি দেশেই পুরো অঞ্চলের ৬০ শতাংশ সংক্রমণ ঘটেছে।
লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ব্রাজিল। দেশটিতে ৬ লাখ ৭৬ হাজারের বেশি মানুষ শনাক্ত এবং ৩৬ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একটি গবেষণা বলছে, ২০ জুনের মধ্যে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ এবং মৃত্যু ৫০ হাজারে গিয়ে পৌঁছবে। তবুও দেশটিতে অর্থনীতি খুলতে শুরু করেছে।
মেক্সিকোয় আক্রান্ত শনাক্তের সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার এবং মৃতের সংখ্যা ১৩ হাজারেরও বেশি। দেশটিতে দ্রুতগতিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।
এছাড়া পেরুতে আক্রান্ত শনাক্তের সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার এবং মৃত্যু পাঁচ হাজারের বেশি। তার পরও এ সপ্তাহে দেশটির কর্মকর্তা বলেছেন, অর্থনীতি খুলে দেয়ার দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করছে দেশটি।
সিএনএন





