যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি ফউসি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে কভিড-১৯ সংক্রমণের দ্বিতীয় ঝড় দেখতে নাও হতে পারে। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ মতে, যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে ২০ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত এবং ১ লাখ ১৭ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
অনেক বিশেষজ্ঞ আশঙ্কা করছেন যে লকডাউন তুলে দিয়ে অর্থনীতি খুলে দেয়া এবং পুলিশি বর্বরতার প্রতিবাদে গণবিক্ষোভের কারণে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঝড় শুরু হতে পারে।
তবে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক ফউসি শুক্রবার সিএনএনকে বলেছেন, বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে সংক্রমণের যে সংখ্যা বাড়ছে, সেটা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঝড়ের নির্দেশক নয়। আপনি যখন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরিমাণ বাড়তে দেখবেন, তখন এটাই নিশ্চিত পরিস্থিতি যেটা আপনাকে খুব মনোযোগ দিতে হবে। এটা অবশ্যম্ভাবী নয় যে আপনি দ্বিতীয় ঝড়ে পড়ে যাবেন। মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এবং বাড়ির বাইরে মাস্ক ব্যবহার অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) মতে, গত মাসে প্রায় ৪০ শতাংশ আমেরিকান স্ব-বিচ্ছিন্ন থেকেছে এবং ৭৪ শতাংশ সর্বদা বা প্রায়ই বড়ির বাইরে মাস্ক ব্যবহার করেছে। নিউইয়র্ক বা লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দারা ৯০ শতাংশ সময় এগুলো পালন করেছিল।
গত সপ্তাহে টেক্সাস, দক্ষিণ ক্যারোলাইনা, উত্তর ক্যারোলাইনা, উতাহ, অ্যারিজোনা, আরকানসাস, আলাবামা, ওরিগন, ক্যালিফোর্নিয়া, নেভাডা ও ফ্লোরিডাসহ ১৯টি অঙ্গরাজ্যে নতুন করে সংক্রমণের সাপ্তাহিক গড় হার বৃদ্ধির খবর পাওয়া গেছে। তবে সিডিসি বলেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির হার বেড়ে যাওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সংখ্যা বৃদ্ধির ঘটনাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
গার্ডিয়ান





