অনূদিত করোনাভাইরাসের নির্দেশিকার অভাব অ-ইংরেজি ভাষীদের নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ফেলছে। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য সচিবের একটি যৌথ চিঠিতে এমন দাবি করা হয়েছে। যদিও দেশটির সরকার বলছে, তারা জনস্বাস্থ্যগত তথ্য ২৫টি ভাষায় অনুবাদ করেছে, যা বিস্তৃত শ্রোতাদের মাঝে পৌঁছেছে। তবে প্রচারকারীরা বলছেন, এটা ভাষার সীমিত পরিসর এবং পরামর্শ বা নিয়মগুলো পরিবর্তিত হলে অনুবাদগুলো আপডেট হতে কয়েক সপ্তাহ সময় নিতে পারে।

সাম্প্রতিক সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের ৪০ লাখের বেশি মানুষ ইংরেজিকে তাদের মূল ভাষা হিসেবে বিবেচনা করে না। এছাড়া ৮ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ ইংরেজিকে খুব কম বা অচেনা বলে থাকে।

একজন সরকারি মুখপাত্র বলেছেন, সব ভাষার অনুবাদ সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। তবে করোনাভাইরাসকে ঘিরে কিছু মূল বার্তা যুক্তরাজ্যের সর্বাধিক প্রচলিত ভাষাগুলোয় অনুবাদ করা হয়েছে।

আবার গাইডলাইন আপডেট করা হলেও অনুবাদগুলো পুরনোই রয়ে গেছে। সরকার কর্তৃক অনূদিত হয়নি এমন বর্তমান নির্দেশিকায় এনএইচএস টেস্ট এবং টেস্ট প্রোগ্রাম সম্পর্কিত তথ্য ও মাস্ক ব্যবহারের নিয়ম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রায় ৩০ জন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, জনস্বাস্থ্য নেতা ও দাতব্য সংস্থাগুলো স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক এবং কমিউনিটি সচিব রবার্ট জেনরিক আরো একটি ভাষায় তথ্য সরবরাহ ও আপডেট করার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছেন। এ চিঠির সমন্বয় সাধনকারী চিকিৎসকরা লন্ডনে এমন ক্লিনিক পরিচালনা করেন, যা সমাজে প্রান্তিক ব্যক্তিদের যেমন অ-ইংরেজ অভিবাসী, আশ্রয়প্রার্থী, যৌনকর্মী, গৃহহীন মানুষ এবং স্বল্প শিক্ষিতদের জন্য চিকিৎসা ও তথ্য সরবরাহ করে।

বিবিসি