করোনাভাইরাস মহামারীর শুরুর দিকে একজন তরুণী তার বোনকে নিয়ে ইউরোপে ভ্রমণ করেছিলেন। লন্ডনে যাওয়ার আগে তিনি মিলান ও প্যারিসে ভ্রমণ করেন। যখন সেই তরুণী মার্চের ১ তারিখ ভিয়েতনামের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করেন, তখন তার গলা ব্যথা ও কাশি ছিল। যদিও কেউ তা লক্ষ করেনি।
১০ ঘণ্টা পর তিনি যখন হ্যানয়ে নামেন ততক্ষণে আরো ১৫ জন যাত্রী সংক্রমিত হয়ে পড়ে। গত শুক্রবার গবেষকদের প্রকাশিত রিপোর্টে এটি জানা গেছে।
কীভাবে করোনাভাইরাস বিমানযাত্রার সময় ছড়ায় সে-সংক্রান্ত দুটি উদাহরণের একটিতে এসব কথা বলা হয়। সে সঙ্গে বলা হয়, কেবল স্থানিক পার্থক্য দ্বারা পুরোপুরি সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না।
ভিয়েতনামের একটি দল ক্লাস্টার ট্র্যাক করেছে, যা কিনা যুক্ত ছিল ২ মার্চ লন্ডন থেকে হ্যানয়ে আসা একটি ফ্লাইটের সঙ্গে। এপিডেমিওলজিস্ট এনগুয়েন কোং খানহ বলেন, ২৭ বছর বয়সী ভিয়েতনামের এক ব্যবসায়ী নারীকে সম্ভাব্য সূচক হিসেবে আমরা চিহ্নিত করছি সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার বিষয়ে। যেখান থেকে সংক্রমিত হয়েছে আরো ১৫ জন। এছাড়া অন্য কোনো উপায়ে সংক্রমণ ছড়াতে পারে এমন সম্ভাবনা দেখেন না বলে জানান তদন্তকারীরা।
সিএনএন





