লকডাউনে নিউজিল্যান্ডে বিবাহবিচ্ছেদ বেড়েছে। দেশটির রিলেশনশিপ থেরাপিস্ট ও আইনজীবীরা জানিয়েছেন এমন তথ্য।

নিউজিল্যান্ডের পারিবারিক সমস্যা বিষয়ে অভিজ্ঞ আইজীবীদের খুব ব্যস্ত সময় কাটছে। এমনকি তারা ব্যস্ততার কারণে অনেক ক্লায়েন্টকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। মহমারী ঠেকাতে চলা লকডাউনে দেশটিতে প্রচুর দম্পতি তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। সদ্য বিচ্ছিন্ন হওয়া দম্পতিরা আইনি পরামর্শের জন্য ছুটছেন আইনজীবীদের কাছে।

নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর অকল্যান্ডের আইনজীবী অ্যালিসা বেল বলেছেন, ‘প্রতিদিন আমরা নতুন নতুন বিবাহবিচ্ছেদের তদন্ত করছি, অবশ্যই এই সংখ্যাটা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। সাধারণ ক্রিসমাসের পর বিচ্ছেদের সংখ্যা কিছুটা বেড়ে যায়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেসবের চেয়ে অনেক বেশি কেস পাওয়া যাচ্ছে।’

নিউজিল্যান্ডে লকডাউনের সময় কত দম্পতি বিচ্ছিন্ন হয়েছেন তার কোনো দাপ্তরিক পরিসংখ্যান নেই। কিন্তু আইনজীবীরা কেসের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে লকডাউনের সময় ৪২ শতাংশ দম্পতি তাদের মধ্যকার সম্পর্কে অবনতি প্রত্যক্ষ করেছেন।

নিউজিল্যান্ডে বেড়েছে রিলেশনশিপ থেরাপিস্ট ও আইনজীবীদের ব্যস্ততা।  আইনজীবীরা বলছেন, সাধারণত বছর শেষের বড় ছুটির পর বিবাহবিচ্ছেদ বাড়ে, কারণ সে সময় দম্পতিরা দীর্ঘ সময় একসঙ্গে থাকেন এবং অনেকে ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হয়। তখন নতুন বছরে জীবনের পথ বদলাতে অনেকে বিচ্ছেদকে বেছে নেন। কিন্তু এখন লকডাউন তার চেয়েও খারাপ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

দ্য গার্ডিয়ান