যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের তথ্য থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সামাজিক দূরত্ব নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তৃতি হ্রাস করতে পারে।
তবে একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, এই বার্তা অনেকাংশে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। এটিকে সিদ্ধান্ত হিসেবে না দেখে পরামর্শ হিসেবে দেখাই সঠিক কাজ।
বিশ্বে এযাবৎ ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ কভিডে আক্রান্ত হয়েছে। কার্যকর চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন না থাকায় এখনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাই যা ভরসা। আর এক্ষেত্রে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্বকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়। তবে অনেক বিশেষজ্ঞের এই দাবি প্রমাণের জন্য এখনো যথেষ্ট তথ্যনির্ভর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই একদল গবেষক দুনিয়ার ১৪৯টি দেশের করোনা সম্পর্কিত ডেটা বিশ্লেষণ করেছেন। এটা করা হয়েছে দেশগুলোতে পাঁচটি ভিন্ন সামাজিক দূরত্বসংক্রান্ত পদক্ষেপ গ্রহণের আগে ও পরের পরিস্থিতি নিয়ে। এ পাঁচটি দিক হলো স্কুল বন্ধ করা, অফিস, গণপরিবহন বন্ধ, গণজমায়েতে নিষেধাজ্ঞা এবং লকডাউন।
গবেষকরা বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব করোনার সংক্রমণের ঘটনা ১৩ শতাংশ হ্রাস করিয়েছে। সম্প্রতি বিএমজে জার্নালে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণা দলের প্রধান অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক-এপিডেমিওলজিস্ট ডা. নজরুল ইসলাম বলেছেন, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সংক্রমণ ঠেকাতে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পরামর্শ হচ্ছে শারীরিক দূরত্ব (অনেকে একে সামাজিক দূরত্বও বলেন) বজায় রাখা।
সংশ্লিষ্ট গবেষকরা বলছেন, শারীরিক দূরত্ব মানার ক্ষেত্রে স্কুল ও কর্মস্থল বন্ধ করা সবচেয়ে কাজে লেগেছে।
সিএনএন





