আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাস বারবার মাথাচাড়া দেয় এবং ধীরে ধীরে আক্রান্তের জীবনপ্রদীপ নিভিয়ে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের বোস্টনের ব্রিংহাম অ্যান্ড ওমেন’স হসপিটালের ম্যানুয়েলা সার্নাদাজ ও জোনাথন লি এবং তাদের সহকর্মীরা ৪৫ বছর বয়সী একজন কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুসরণ করেছেন। তিনি দীর্ঘ সময় অটোইমিউন ডিজঅর্ডারে ভুগেছেন। এ রোগীকে নির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশনের অধীন চিকিৎসা দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে ছিল ইমিউনোসাপ্রেসান্টসের মতো শক্তিশালী ওষুধ। তিনি সার্স-কোভ-২ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ৪০ দিন পর ফলোআপ টেস্টে দেখা যায় যে তার শরীরে করোনাভাইরাস হ্রাস পাচ্ছে। কিন্তু তারপর হঠাৎই দেখা যায় আবার কারোনভাইরাস শরীরে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, এমনকি তখনো তার অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা চলা অবস্থায়ও। এভাবে সংশ্লিষ্ট রোগীর দেহে দুবার করোনাভাইরাসের পরিমাণ হ্রাস পায় কিন্তু প্রতিবারই আবার তীব্রতা নিয়ে ফিরে আসে। এভাবে আক্রান্ত হওয়ার পর পাঁচ মাসের মাথায় তিনি মার যান। জিনোমিত বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, তিনি একাধিকবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি। বরং প্রথমবার আক্রান্ত করা ভাইরাসই তার দেহে টিকে ছিল এবং দেহের মধ্যে দ্রুতগতিতে মিউটেশন করেছে।
নেচার জার্নাল





