সাইপ্রাসে ঘুরতে গিয়ে কোনো পর্যটক কভিড-১৯ সংক্রমিত হলে তার ছুটির পুরো ব্যয় বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভূমধ্যসাগরীয় তৃতীয় বৃহত্তম এ দ্বীপরাষ্ট্রটি। গত বুধবার প্রকাশিত একটি চিঠিতে সরকার বলেছে, সংক্রমিত ব্যক্তি ও তার পরিবারের জন্য থাকার ব্যবস্থা, ওষুধ ও খাবারের জন্য অর্থ প্রদান করা হবে। পর্যটকদের কেবল হোটেল থেকে বিমানবন্দরে যাওয়া এবং দেশে ফিরে যাওয়া ফ্লাইটের ব্যয় বহন করতে হবে।

নভেল করোনাভাইরাসে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়ার পর পর্যটক ফেরাতে এমন প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। যদিও দেশটিতে কিছু কভিড-১৯ আক্রান্ত শনাক্ত ও মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সরকার এখন পর্যন্ত ৯৩৯ জন আক্রান্ত এবং ১৭ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সাইপ্রাস কৃষিপ্রধান দেশ হলেও পর্যটকরা জিডিপির বড় একটি অংশ সরবরাহ করে। গত বছর জিডিপির ১৫ শতাংশের অবদান ছিল পর্যটকদের, তাই সরকার চাইছে যত দ্রুত সম্ভব দেশটিতে পর্যটক ফেরাতে।

ডেপুটি পর্যটন মন্ত্রী সাভাস পেরদিওস বলেছেন, কভিড-১৯-এর ধাক্কাটি বিশাল। আমরা এখন আমাদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করছি এবং মৌসুমের বাকি অংশের জন্য আমরা যা করতে পারি তা করার চেষ্টা করছি। আমরা ভাইরাসটি দমন করার জন্য অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেছি।

দেশটির কর্মকর্তারা আরো বলেছেন, কভিড-১৯ আক্রান্ত পর্যটকদের জন্য ১০০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল আলাদা করে রাখা হবে। পাশাপাশি সংক্রমিত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য বেশ কয়েকটি  ‘কোয়ারেন্টিন হোটেল’-এর ব্যবস্থা রাখা হবে।

কম ঝুঁকিপূর্ণ বেশকিছু দেশের সঙ্গে সাইপ্রাস আগামী ৯ জুন থেকে ফ্লাইট চলাচল চালুর পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাজ্য ও রাশিয়ার মতো দেশের পর্যটকদের আগামী জুলাই থেকে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হবে।

বিবিসি