নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে শঙ্কা ও উদ্বিগ্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে মানুষ। কখন কীভাবে এ ভাইরাস মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে সে সম্পর্কে আগে কিছুই বলা যায় না। পুরোপুরি নিরাপত্তা-বলয়ের মাঝে থেকেও সংক্রমিত হতে পারেন আপনি। তেমনই শঙ্কায় এখন দিল্লির ৭২টি পরিবার। যারা গৃহবন্দি থেকেও এখন করোনা আশঙ্কায় দিন পার করছে। মূলত পিত্জা ডেলিভারি বয়ের সংক্রমণের কারণে এ পরিস্থিতিতে পড়তে হলো তাদের।
জানা গেছে, দিল্লির মালব্য নগরে এক ডেলিভারি বয় ২০ দিন ধরে করোনা উপসর্গ নিয়েও বাসায় পিত্জা পৌঁছে দিয়ে গেছে। এরপর গত সোমবার পরীক্ষার পর তার শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। আক্রান্ত অবস্থায় পিত্জা নিয়ে ডেলিভারি বয়টি ৭২টি বাসায় খাবার পৌঁছে দিতে গেছে। এরপর সেই ৭২টি পরিবারকে চিহ্নিত করে তাদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। এমনকি সেই আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা অন্য আরো ১৬ ডেলিভারি বয়কেও পাঠানো হয়েছে কোয়ারেন্টিনে। যদিও কোম্পানির অন্য কেউ এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ দিল্লির বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট বিএন মিশ্রা।
তিনি বলেন, ২০ মার্চ থেকে করোনা উপসর্গ নিয়ে সে বিভিন্ন বাসায় পিত্জা ডেলিভারি করেছে। পরীক্ষার পর তার শরীরে করোনার উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আমরা যেসব পরিবার এর মাঝে তার সংস্পর্শে এসেছে, তাদের চিহ্নিত করেছি। রেস্টুরেন্টটি বন্ধ করে জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে।
ভারতের খাবার ডেলিভারির জন্য সবচেয়ে পরিচিত অ্যাপ জোমাটো। মূলত তাদের মাধ্যমেই অনেক রেস্টুরেন্ট খাবার পৌঁছে দিয়ে থাকে। এক বিবৃতিতে অ্যাপটির পক্ষ থেকে বলা হয়, জোমাটোর মাধ্যমে বেশ কয়েকটি বাসায় রেস্টুরেন্টটির সেই কর্মী খাবার পৌঁছে দিয়েছে। আমরা নিশ্চিত নই, সে সময় রাইডারটি আক্রান্ত ছিলেন কিনা। তবে অজ্ঞাত অবস্থায় এটি ঘটেছে বলে জানানো হয় তাদের পক্ষ থেকে।
সিএনএন





