যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ২০১৮ সালের একটি কূটনৈতিক বার্তা প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে (ডব্লিউআইভি) ‘উচ্চ নিয়ন্ত্রণের পরীক্ষাগারটি নিরাপদে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় উপযুক্ত প্রশিক্ষিত প্রযুক্তিবিদ ও তদন্তকারীদের গুরুতর ঘাটতি ছিল।’
দুই বছরের পুরনো এ বার্তা এ বছরের শুরুর দিকে ফাঁস হয়। ফ্রিডম অব ইনফরমেশন অ্যাক্ট মামলার পর ওয়াশিংটন পোস্ট থেকে পাওয়া ২০১৮ সালের জানুয়ারির কূটনৈতিক বার্তাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডব্লিউআইভি ও গ্যালভেস্টনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল শাখার মধ্যে সম্পর্ক সংকট নিরসনে সহায়তা করতে পারে এবং কথিত আছে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থাটি ডব্লিউআইভিতে কাজ করার জন্য প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল।
ওই বছরেরই এপ্রিলে ডব্লিউআইভি সম্পর্কে দ্বিতীয় বার্তায় এক ফরাসি কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করা হয়েছিল, যিনি বলছেন, ফরাসি বিশেষজ্ঞরা ল্যাবটিতে দিকনির্দেশনা এবং বায়োসেফটি প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, যা অব্যাহত থাকবে।
তবে উভয় বার্তা সম্পাদনা করা। মারাত্মক এ ভাইরাসটি ডব্লিউআইভি থেকে ছড়িয়ে পড়েছে বলে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। যদিও পম্পেও এখনো মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ব্যর্থতা ও স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে চীন সরকারের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে কথা বলছেন। তবে সম্প্রতি তিনি ল্যাব তত্ত্ব থেকে সরে এসেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। মে মাসে তিনি স্বীকার করেছিলেন, আমরা জানি যে ভাইরাসটির সূচনা হয়েছিল উহান থেকে। তবে ভাইরাসটি কোথা থেকে বা কার কাছ থেকে এসেছিল, তা আমরা জানি না এবং সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এ বছরের শুরু থেকে একই দাবি করে আসছেন। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও বিজ্ঞানীদের পর্যালোচনাগুলো দেখে মনে হয়েছে, ল্যাব থেকে ভাইরাসটির ছড়ানোর বিষয়টি ‘যথেষ্ট সম্ভাবনাময়’ নয়।
সিএনএন





