বিল গেটসকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তিনি কভিড-১৯ মহামারী থেকে কী শিক্ষা পেয়েছেন? তার জবাব, মহামারীতে রোগের পরীক্ষা এই করোনার সময়ের চেয়ে ‘১০ গুণ দ্রুত’ হতে হবে।

বিল গেটস জানিয়েছেন, তিনি ভবিষ্যতের মহামারীর ক্ষেত্রে পরীক্ষার জন্য বিনিয়োগ করবেন। ‘আমরা বিনিয়োগ করব। এবং আমার মনে হয় যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্য সরকারগুলোও করবে। সামনের মহামারীতে আমরা পরীক্ষার গতি ১০ গুণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হব। এবং অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিবডিও এখনকার চেয়ে অনেক দ্রুত করতে পারব।’

বিল গেটস আরো বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে অসংখ্য মৃত্যু, অর্থনৈতিক সংকট, বিভক্তির মতো ঘটনার মুখোমুখি হয়েছি কিন্তু আমরা এখনো জানি না এ মহামারী কবে শেষ হবে। কিন্তু এ সমস্যার সমাধান আছে। এজন্যই ২০১৫ সালে আমি ভেবেছিলাম যে ১০ বিলিয়ন এ খাতে খরচ হলেও সেসব আবিষ্কারই মহামারী বড় কোনো ক্ষতি করার আগেই সেটাকে থামিয়ে দিতে পারবে।’

বিল গেটস সম্প্রতি আরো বলেছেন যে অনলাইনে ষড়যন্ত্রতাত্ত্বিকরা করোনার কারণ হিসেবে যাই বিশ্বাস করুক না কেন এসব ধারণা টিকবে না। ‘সোস্যাল মিডিয়ায় যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে সেগুলো খুবই উত্তেজনাকর। মহামারীতে মানুষ অসহায় বোধ করছে। তাই তারা মহামারীর খুব সহজ ব্যাখ্যায় বিশ্বাস করতে চায়। প্রতিদিন এসব নিয়ে লাখ লাখ মেসেজ চালাচালি হচ্ছে এবং অমি বা ডা. ফাউসির মতো মানুষদের নিশানা করা হচ্ছে।’

সিএনএন