নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া কিছু রোগীর মধ্যে ‘কভিড টো’সহ পাঁচটি ফুসকুড়ির (র্যাশ) লক্ষণ দেখা গেছে। স্প্যানিশ চিকিৎসকদের একটি গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। অল্পবয়সীদের মধ্যে এ ফুসকুড়িগুলো হওয়ার প্রবণতা বেশি ছিল এবং এগুলো কয়েকদিন স্থায়ী হয়।
নভেল করোনাভাইরাসে অসুস্থতার লক্ষণগুলোর তালিকায় বর্তমানে র্যাশ অন্তর্ভুক্ত নেই। যদিও ভাইরাসের ফলে চিকেন পক্সের দাগের মতো লক্ষণ হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, তারা কভিড-১৯-এর সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ফুসকুড়ি দেখে অবাক হয়েছেন।
অন্যান্য লক্ষণ দেখা না গেলেও কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের পায়ে ফুসকুড়ি দেখা দেয়ার অনেকগুলো প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে গবেষণাটির নেতৃত্ব দেয়া ডা. ইগনাসিও গার্সিয়া-দোভাল বলেন, গবেষণায় ফুসকুড়ির সবচেয়ে সাধারণ রূপটি ছিল ম্যাকুলোপাপুলস, যা ছোট, সমতল ও উত্থিত লাল এবং পায়ের আঙুলের মাথার ওপরে হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের ফুসকুড়ি দেখা অদ্ভুত বিষয় এবং এগুলোর কয়েকটি বেশ সুনির্দিষ্ট। এটা সাধারণত রোগীর শ্বাসকষ্ট প্রকাশের পর দেখা দেয়।
গবেষণাটির সব রোগী হাসপাতালে ছিলেন এবং তাদের শ্বাসকষ্টের লক্ষণ ছিল। গবেষণাটি এ সপ্তাহে ব্রিটিশ জার্নাল অব ডার্মাটোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে। তবে গবেষকরা জোর দিয়েছিলেন, ফুসকুড়িগুলোর অনেক কারণ থাকতে পারে এবং চিকিৎসার অভিজ্ঞতা ছাড়া এগুলোর মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হতে পারে।
এ বিষয়ে সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ডা. মাইকেল বলেন, নিউমোনিয়াসহ অনেক ভাইরাল সংক্রমণের একটি সুপরিচিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছিল ফুসকুড়ি। তবে কভিড-১৯-এর সঙ্গে এগুলোর সম্পর্ক এখনো আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।
বিবিসি





