হংকং, সিওল বা টোকিওতে ফেস মাস্ক ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হলে আপনাকে হয়তো খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হতে পারে। আবার যুক্তরাজ্যের সর্বশেষ পরামর্শ হলো গণপরিবহন ও দোকানের মতো স্থানগুলোতে, যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয় না সেসব স্থানে মাস্ক পরতে হবে।
আবার যুক্তরাষ্ট্রের বেশকিছু রাজ্যেও এমন পরামর্শ দেয়া হয়েছে, এমনকি হোয়াইট হাউজও সম্প্রতি সব কর্মীকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে, যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো মাস্ক ব্যবহারে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরুতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কেবল যারা অসুস্থ ও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং যারা করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত আছেন, তাদের মাস্ক ব্যবহারের কথা বলেছিল। এশিয়ার কয়েকটি অঞ্চলে প্রত্যেকে ডিফল্ট হিসেবে মাস্ক পরে থাকেন এবং তারা এটাকে কভিড-১৯ প্রতিরোধী হিসেবে বিবেচনা করেন। আবার চীন, হংকং, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও তাইওয়ানের বিস্তৃত ধারণা হলো কভিড-১৯ আক্রান্ত বা এমনকি সুস্থ মানুষও ভাইরাসটির বাহক হতে পারে। সুতরাং আপনার নিজের পাশাপাশি অন্যকেও রক্ষা করা দরকার। এজন্য এশিয়ার কিছু অঞ্চলে মাস্ক ব্যবহার না করলে আপনাকে গ্রেফতার বা শাস্তি দেয়া হতে পারে।
সিঙ্গাপুর প্রথম দিকে নাগরিকদের মাস্ক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করেছিল, তবে বর্তমানে বাড়ির বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। অন্যথায় তাদের ২১০ ডলার জরিমানা গুনতে হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের বড় শহরগুলোয় বেশির ভাগ লোক নিজেকে রক্ষায় মাস্ক ব্যবহার করে।
বিবিসি





