একদল বিজ্ঞানী কৃত্রিমভাবে এক ধরনের কণা তৈরি করেছেন, যা মানুষের সুরক্ষা ইমিউন সিস্টেমকে অন্য যেকোনো কিছু থেকে বেশি প্রভাবিত করতে পারবে।
সিয়াটলের ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ডেভিড ভিজলার ও নিল কিং এবং তাদের গবেষণা দল আণুবীক্ষণিক ও বলের আকারের কণা তৈরি করেছেন, যা ভাইরাসের গঠনকে অনুকরণ করতে সক্ষম।
গবেষকরা এ ন্যানোপার্টিকেলগুলোর প্রতিটির বাইরে সার্স-কোভ-২-এর স্পাইক প্রোটিনের ৬০টি কপি একীভূত করেন। এ
স্পাইক প্রোটিনের সাহায্যেই ভাইরাস মানব কোষকে আক্রমণ করে। বিজ্ঞানীরা যখন ইঁদুরের দেহে এ ন্যানোপার্টিকেল ভ্যাকসিন প্রবেশ করান তখন দেখা যায় ইঁদুরগুলো কভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠা মানুষদের তুলনায় দ্রুতগতিতে ভাইরাস আটকে দেয়া অ্যান্টিবডি উৎপাদন করছে। শুধু স্পাইক প্রোটিন দিয়ে ভ্যাকসিনেটেড ইঁদুরের তুলনায় ন্যানোপার্টিকেল ভ্যাকসিন পাওয়া ইঁদুরের শরীরে ১০ গুণ বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। উল্লেখ্য, অনেক কভিড-১৯ ভ্যাকসিন নির্মাতাই শুধু স্পাইক প্রোটিনের ওপর নির্ভর করে। এছাড়া ভ্যাকসিনটি বিশেষ ধরনের ইমিউন কোষ থেকে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এটা সার্স-কোভ-২-এর ইনফেকশনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
নেচার জার্নাল





