ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো বলেছেন, দেশের হেলথ সার্ভিলেন্স এজেন্সি (এএনভিআইএসএ) দ্বিতীয় মতামত না দেয়া পর্যন্ত তিনি কভিড-১৯ ভ্যাকসিন জনগণের জন্য অনুমোদন করবেন না। গত বৃহস্পতিবার ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেশটিতে চার মিলিয়ন সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর দেশটির প্রেসিডেন্ট তার সাপ্তাহিক ফেসবুক লাইভে এসে এ বক্তব্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান ও চীনে ভ্যাকসিনগুলো তৈরি হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে সেগুলো অন্যান্য দেশে প্রমাণিত হলেও ব্রাজিলে ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য আরো পরীক্ষার প্রয়োজন হবে।
গত সোমবার সেলফোনে রেকর্ড করা একটি ভিডিও বার্তায় বোলসোনারো জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, তিনি ব্রাজিলে কোনো কভিড-১৯ ভ্যাকসিন বাধ্যতামূলক করবেন না।
ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার এ বার্তা অনুসরণ করেছে এবং নিশ্চিত করেছে যে কেউ এ ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে না চাইলে তাকে দেয়া হবে না। বৃহস্পতিবার লাইভ ভিডিওতে তিনি সেই প্রতিশ্রুতিরই পুনরাবৃত্তি করেছিলেন। এটা দেশটির অ্যান্টি-ভ্যাক্সার সম্প্রদায়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে। প্রেসিডেন্ট বলেন, মানুষের শরীরে ভ্যাকসিন দেয়ার সময় আমরা দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারি না। কেউ কাউকে ভ্যাকসিন নিতে বাধ্য করতে পারে না।
ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কভিড-১৯-এ দেশটিতে ৪০ লাখ আক্রান্ত শনাক্তের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৪ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ল্যাটিন আমেরিকান সর্বাধিক জনবহুল দেশ কভিড-১৯ ভ্যাকসিনের মূল পরীক্ষার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক এবং ফাইজার বায়োএনটেক এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের সঙ্গে অংশীদারিত্বে চারটি ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন করেছে দেশটি।
সিএনএন





