যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত প্রযুক্তির দেশে কভিড-১৯ বিষয়ক নজরদারি তেমন সফল হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু গ্রামাঞ্চলে উদ্যোগ সফল হলেও বড় শহরগুলোতে তেমনটা হয়নি।
যেমন নিউইয়র্কে অন্য জায়গার তুলনায় বেশি জনবল নিয়ে মাত্র অর্ধেক মানুষকে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের অধীন আনা গেছে। জনস্বাস্থ্য বিভাগ নিয়ে অনাস্থার করণেই অনেকে মার্কিন নাগরিক কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংয়ে যুক্ত হয় না। অবশ্য এ ক্ষেত্রে যে জনবল প্রয়োজন তারও ঘাটতি আছে বলে মনে করেন অনেকে।
সরকারি সংস্থার প্রতি অনাস্থা, অবিশ্বাস কভিড-১৯ বিষয়ক নজরদারিকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে মনে করেন ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিজিজ রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির পরিচালক মাইকেল অস্টারহোম।
‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। নজরদারি আছে এমন কোনো ফলোআপে মানুষ অংশ নিতে চায় না। সরকার ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর অনাস্থার কারণের তারা এমনটা করে।’
আমেরিকান পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবিনারে সম্প্রতি এসব কথা বলেছেন মাইকেল অস্টারহোম।
তিনি বলেন, সংস্থাগুলো মানুষের আস্থার সংকটে পড়েছে। সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন, ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতো সংস্থাসহ পুরো জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ক্ষয়ে গেছে।
মাইকেল অস্টারহোম আরো বলেন, ‘এসব ক্ষেত্র থেকে আসা তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে অসংখ্যবার পাবলিক ডিসকাশন হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র, স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা কিংবা কন্ট্যাক্ট ট্রেসারদের ব্যাপারে তাদের সম্মতি নিয়েও কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।’
সিএনএন





