একটি গবেষণা বলছে, ফ্রান্সে যেসব মানুষ মাস্ক পরাকে প্রত্যাখ্যান করছে তাদের বেশির ভাগই বয়স্ক এবং শিক্ষিত নারী, যারা কিনা ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের সমর্থক। পাশাপাশি তারা নিজেদের মুক্ত চিন্তক বলেও দাবি করছে, যারা কিনা বিশ্বাস করে সরকার তাদের জীবনে ব্যাপকভাবে হস্তক্ষেপ করছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপরও তাদের কোনো বিশ্বাস নেই এবং প্রায়ই তারা ষড়যন্ত্রতত্ত্বকে সমর্থন করে।

সমাজবিজ্ঞানের প্রফেসর অ্যান্তোনি ব্রিসটিয়েল্লে একটি গবেষণা চালিয়েছেন মাস্কবিরোধী গোষ্ঠীর মাঝে, যেখানে তার অনুসন্ধান এক হাজারের বেশি অনলাইন উত্তরদাতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এ অনুসন্ধান সামনে আসে আগস্টের শেষ দিকে প্যারিসে একটি মাস্কবিরোধী প্রতিবাদ কর্মসূচির পর, যেখানে শত শত প্রতিবাদকারী ‘স্বাধীনতা স্বাধীনতা’ বল স্লোগান ধরে।

ব্রিসটিয়েল্লে বলেন, মাস্ক পরার ক্ষেত্রে চার ধরনের আপত্তির কথা বলেছে প্রতিবাদকারীরা: মাস্ক কভিড-১৯-এর সংক্রমণ থামাতে অকার্যকর; এগুলো ভয়ংকর, কারণ এর ফলে শ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়; মহামারীটি শেষ হয়েছে কিংবা অস্তিত্বহীন  এবং সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যা বলেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, উত্তরদাতাদের ৬৩ শতাংশই হচ্ছে নারী এবং তাদের গড় বয়স হচ্ছে ৫০ বছর। যেখানে বেশির ভাগই আবার উচ্চশিক্ষিত। মাত্র ২ শতাংশ উত্তরদাতার আস্থা আছে রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল মাখোঁর ওপর এবং ৩ শতাংশের আস্থা আছে প্রধানমন্ত্রী জেন কাসটেক্সের ওপর। ৯৪ শতাংশ মানুষ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান