বিস্তৃত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপকভাবে মাস্ক ব্যবহার কভিড-১৯-এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ স্তরে নামিয়ে আনতে পারে এবং লকডাউনের সঙ্গে মাস্ক ব্যবহার করা হলে এটি ভাইরাসটির পরবর্তী ঝড়গুলোও প্রতিরোধ করতে পারে। গতকাল প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ব্রিটেনের ক্যামব্রিজ ও গ্রিনিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে করা গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, লকডাউন কেবল সার্স-কভ-২ করোনাভাইরাসের পুনরুত্থানকে থামিয়ে দেবে না, পর্যাপ্ত লোক যদি জনসমক্ষে মাস্ক ব্যবহার করে, এমনকি ঘরে তৈরি মাস্কগুলোও নাটকীয়ভাবে সংক্রমণের হারকে হ্রাস করতে পারে।
ক্যামব্রিজের এ গবেষণাটির সহ-নেতৃত্ব দেয়া গবেষক রিচার্ড স্টট বলেছেন, আমাদের বিশ্লেষণগুলো জনগণের অবিলম্বে ও সর্বজনীন মাস্ক ব্যবহারকে সমর্থন করে।
তিনি বলেন, অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে, বিস্তৃত মাস্ক ব্যবহারকে যদি সামাজিক দূরত্ব ও লকডাউন ব্যবস্থার সঙ্গে একত্রিত করা হয়, তবে এটি কার্যকর ভ্যাকসিনের আবিষ্কার এবং সেটি জনগণের কাছে সহজলভ্য হওয়ার আগে করোনাভাইরাস মহামারী নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। এছাড়া এটি অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ পরিচালনার ক্ষেত্রেও একটি গ্রহণযোগ্য উপায় হতে পারে।
গবেষণার এ ফলাফল ‘প্রসিডিং অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি’
বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের গাইডলাইন হালনাগাদ করে সুপারিশ করেছে যে যেসব জায়গায় এ রোগের বিস্তারের ঝুঁকি রয়েছে, সে ঝুঁকি হ্রাস করতে সরকারগুলো জনসাধারণকে কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করতে বলুন।
রয়টার্স





