এখনো কভিড শনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে আফ্রিকা মহাদেশের অবস্থা বেশ ভালো। মোট শনাক্তে অল্প অংশই আফ্রিকায়। কিন্তু মহাদেশের কিছু দেশে সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধির গতি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে। 

আফ্রিকায় ১ লাখ কভিড আক্রান্তের সংখ্যায় পৌঁছতে প্রথমবার সময় লেগেছিল ১০০ দিন। কিন্তু এরপর আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে, অর্থাৎ দুই লাখ হতে সময় লেগেছে মাত্র ১৮ দিন। সেখান থেকে দ্বিগুণ হতে বা ৪ লাখ আক্রান্তে পৌঁছতে লেগেছে ২০ দিন। আফ্রিকা মহাদেশে করোনার বিস্তারের এ গতি নিঃসন্দেহে উদ্বেগের।

আফ্রিকায় আক্রান্তের এ ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে বাকি দুনিয়ার প্রবণতার মিল আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বেশির ভাগ আফ্রিকান দেশে এখন কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে। আর তাই এখন সংক্রমণের উৎস খুঁজে পাওয়াটা কঠিন হয়ে উঠেছে।

আফ্রিকা মহাদেশের দুটি দেশ এখন কভিডের হটস্পট হয়ে উঠেছে—মিসর ও দক্ষিণ আফ্রিকা। জুন মাসে পুরো আফ্রিকায় যত নতুন কেস শনাক্ত হয়েছে তার ৬০ শতাংশই এই দুই দেশে। এর মধ্যে আফ্রিকায় সর্বোচ্চ আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ আফ্রিকায় আর করোনায় সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষ মারা গেছে মিসরে। 

দুনিয়ার অন্যতম কঠোর লকডাউন চালু ছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। মার্চ মাস থেকে শুরু করা লকডাউন মে মাসের শুরু থেকে তুলে নেয়া হয় এবং তার পর থেকেই দেশটিতে দ্রুতগতিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

মিসরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে মে মাসের মধ্যভাগ থেকে। তবে এটা এখন বোঝা যাচ্ছে যে মে মাসেই দেশটি কভিড আক্রমণের সর্বোচ্চ চূড়াটি পার করে ফেলেছে।

বিবিসি