নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার রোধে লকডাউনে যেভাবে কাজ করেছে, তাতে আমরা সবাই একটি বিস্তৃত পর্যবেক্ষণ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ‘পরীক্ষামূলক পর্যায়ে’ খুব দ্রুত লকডাউন শিথিলের কারণে মহামারীটির ‘বড় আকারের দ্বিতীয় তরঙ্গ’ আঘাত হানতে পারে। তাদের মতে, এজন্য লকডাউন থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের সতর্কতামূলক ও পরিকল্পিত পদ্ধতির প্রয়োজন।

কভিড-১৯ প্রতিরোধে কার্যকর ভ্যাকসিন না পাওয়া পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব এবং বাড়ি থেকে কাজ করা (হোম অফিস) চালিয়ে যেতে হতে পারে। ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের এ গবেষণার নেতৃত্বদানকারী ড. মাইক টিল্ডেসলি বলেন, আমাদের জন্য নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত পদক্ষেপগুলোই নিতে হবে এবং তারপর খুব সতর্কতার সঙ্গে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা দরকার। এক অর্থে শেখার এ ধাপটি অতিক্রম করার সময় আমাদের অবস্থা অনেকটা গিনিপিগের মতো, তাই অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এই ধাপটি যতটা এগোবে, এ ব্যবস্থাগুলো কতটা কার্যকর হচ্ছে তা বোঝা যাবে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে বিদ্যালয় খোলার ক্ষেত্রে সতর্কতা, দিকনির্দেশনা ও গৃহীত প্রতিটা পদক্ষেপ থেকে শিক্ষা নেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্পষ্টতই শিক্ষার্থীদের বাবা-মা ও শিক্ষকদের দিক থেকে অনেক উদ্বেগ রয়েছে। এছাড়া যেখানে সামাজিক দূরত্বের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যাবে কেবল সেখানেই দোকান ও ব্যবসা-বাণিজ্য পুনরায় চালু করতে হবে। এরপর যদি সংক্রমণ হার দ্রুত বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা যায় তাহলে আবারো কঠোর লকডাউনে চলে যেতে হবে।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক আজরা গণি বলেন, এ সময় মানুষের যোগাযোগ বড় জোর ২০-৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করা যেতে পারে। এরই মধ্যে যতটা সম্ভব আমাদের মানিয়ে নেয়া প্রয়োজন।

বিবিসি