শেলবি হেজকক কভিড-১৯ পজিটিভ পরীক্ষা করার পর প্রায় পাঁচ মাস কেটে গেছে এবং তার সাবেক ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক বলেছেন, তার লক্ষণগুলো এখনো বিদ্যমান। হেজকক এমন রোগীদের মধ্যে রয়েছেন যারা ভাইরাসটিতে পজিটিভ পরীক্ষা করার দীর্ঘদিন পরও লক্ষণগুলো অনুভব করেন। দীর্ঘমেয়াদি এ লক্ষণগুলো গুরুত্ব সহকারে নেয়া উচিত বলে জানিয়েছেন এমন লক্ষণ নিয়ে গবেষণা করা একজন চিকিৎসক।

গত সোমবার ডা. উইলিয়াম লি সিএনএনকে বলেন, এ কথোপকথনটি কেবল লক্ষণগুলোর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করা রোগীদের মধ্যে নয়, বরং চিকিত্ক ও গবেষণা সম্প্রদায়ের মধ্যেও হওয়া উচিত।

ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জুলাইয়ে বলেছে, কভিড-১৯ সবার মধ্যেই দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি স্থায়ী কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা ছাড়াই যুবকদের মধ্যে এমনটা হতে পারে। সংস্থাটির একটি জরিপে ৩৫ শতাংশ রোগী বলেছিল, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার দু-তিন সপ্তাহ পরও তারা স্বাভাবিক সুস্থতা ফিরে পায়নি। বাকিরা বলেছে, তারা আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ থেকে ১২ দিন পরই স্বাভাবিক সুস্থতা ফিরে পেয়েছে।

হেজকক বলেন, এপ্রিলে কভিড-১৯ পজিটিভ পরীক্ষা করার পর পরে মে মাসের পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল এসেছিল। তবুও স্নায়বিক সমস্যা, জ্ঞানীয় সমস্যা, শ্বাসকষ্ট, বুকের ব্যথা, ঘ্রাণ এবং শরীর ব্যথা আমাকে কিছুদিনের জন্য বিছানাগত করে দেয়।

উইলিয়াম লি বলেন, হেজককের অভিজ্ঞতা অনন্য নয়। অনেকেরই এমন ঘটছে। ভাইরাসটি কেবল ফুসফুসকেই নয়, পুরো দেহের সঙ্গে সংযোগকারী রক্তনালিগুলোকে প্রভাবিত করে। আমরা মনে করি যে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিটি রক্তনালির ক্ষতির কারণে হতে পারে। এটা এমন একটি পদচিহ্ন, যা ভাইরাসটি চলে যাওয়ার পরও রেখে যায়।

সিএনএন