অনেক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ কভিড-১৯ মোকাবেলায় সুইস চিজ মডেলের প্রশংসা করছেন। তারা বলছেন, সুইস চিজ মডেলই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় কার্যকর পদ্ধতি। সুইস চিজে অনেকগুলো স্তর থাকে এবং প্রত্যেক স্তরে থাকে কিছু ছিদ্র। এ স্তরগুলোকে কভিড-১৯ মোকাবেলায় একেকটি ইন্টারভেনশন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রত্যেক ইন্টারভেনশনের সীমাবদ্ধতাগুলো চিজের স্তরে থাকা ছিদ্রের মতো। কন্ট্যাক্ট হ্রাসের ইন্টারভেনশনের মধ্যে আছে স্কুল বন্ধ করা, লকডাউন, রাতের কারফিউ। অন্যদিকে সংক্রমণ হ্রাসের পদক্ষেপগুলোর মধ্যে আছে হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার, দ্রুত ও সংবেদনশীল টেস্টিং। এগুলো নন-ফার্মা ইন্টারভেনশন নামে পরিচিত, কারণ এগুলোতে ভ্যাকসিন বা কোনো ওষুধের ব্যবহার নেই। মডেল অনুসারে এমন প্রতিটি ইন্টারভেনশন সুইস চিজের একেকটি স্তর। চিজের স্তরের মতো কোনো একক ইন্টারভেনশন একা শতভাগ প্রতিরোধী নয়। যখন সামাজিক দূরত্ব, ভেন্টিলেশন, মাস্ক, হাইজিন, দ্রুত টেস্টিং, কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং প্রভৃতি একসঙ্গে ব্যবহার করা হয় তখন সেগুলো একত্রে মহামারী মোকাবেলায় ভূমিকা রাখে। কয়েক স্তরের ইন্টারভেনশন যখন একসঙ্গে কাজ করে, তখন সেগুলো একে অন্যের সীমাবদ্ধতাকে দূর করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের সোস্যাল অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সের স্টারলিং অধ্যাপক নিকোলাস এ ক্রিসটাকিস বলেছেন, ‘সার্স-কোভ-২-এর বিস্তৃতি ঠেকাতে; কোনো দেশ, পরিবার, ফার্মে কভিড-১৯ মহামারীর ঝুঁকি কমাতে সবার দরকার সুইস চিজের যথেষ্ট স্তর।’
দ্য প্রিন্ট





