নয় মাস ধরে নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে নজিরবিহীন এক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব। তবে এ লড়াইয়ে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করছে বিজ্ঞান। কভিড-১৯-এর প্রকোপকে থামাতে সম্ভাব্য সবগুলো দিক মাথায় রেখে চলছে গবেষণা। যেমনটা এর আগে কখনই দেখা যায়নি। এ গবেষণাগুলোর মধ্য দিয়ে এখন এসে ভাইরাসের নতুন নতুন রূপের উন্মোচন ঘটছে। অনেক কিছুই সামনে আসছে, যা মহামারী মোকাবেলায় সাহায্য করছে।
এবার এসে এক গবেষণায় এমন ২৬টি প্রাণীর নাম জানা গেছে, যারা কভিড-১৯-এর জন্য সংবেদনশীল। যার মাঝে অনেকগুলো স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে, যারা নিয়মিত মানুষের সংস্পর্শে আসে, ফলে তাদের এবং একইভাবে মানুষেরও কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।
‘সায়েন্টিফিক রিপোর্ট’
নামক জার্নালে প্রকাশিত সেই গবেষণায় দেখা হয়েছে, সার্স-কোভ-২ থেকে স্পাইক প্রোটিন কীভাবে এসিই২ রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এ প্রোটিনটি করোনাভাইরাসকে মানুষের শরীরে প্রবেশের সহযোগিতা করে।
গবেষকদের এ দলটি লক্ষ রেখেছিল ২১৫টি আলাদা আলাদা প্রাণীর এসিই২ প্রোটিনের মিউটেশনের দিকে। তারা দেখতে চেয়েছিল হোস্ট সেলে আবদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে ভাইরাসের ক্ষমতা হ্রাস পায় কিনা।
এ গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাণীদের মধ্যে ভেড়া, শিম্পাঞ্জি, গরিলা, ওরাংওটাংসহ ২৬টি প্রাণী রয়েছে যাদের প্রোটিন মানুষের মতো দৃঢ়ভাবেই আবদ্ধ হয়ে থাকে। দলটি বিশ্বাস করে যে এ প্রাণীগুলো ভাইরাসের উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে এবং ভবিষ্যতে মানুষের সংক্রমণের কারণ হতে পারে।
তবে বেশির ভাগ পাখি, মাছ ও সরীসৃপের সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি নেই।
দ্য প্রিন্ট





